Expeditors

প্রতিষ্ঠাতা ও প্রশিক্ষক

চট্টগ্রামের সন্তান, ইনফরমেশন টেকনোলজীর ট্রেইনার হিসেবে ভীষণ জনপ্রিয় মিরাজুল হক ২০০১ সালে তাঁর পেশাগত জীবন শুরু করেন বিশ্বব্যপী প্রতিষ্ঠিত আই.টি ট্রেনিং প্রতিষ্ঠান নিউ হরাইজন্স-এ। পরবর্তীতে আই.ডি.বি এর আই.টি স্কলারশীপ প্রজেক্ট এর সাথে এখনও কাজ করে যাচ্ছেন।

সারাজীবনই তাঁর আনন্দের কাজ এবং কাজের আনন্দ ছিল মানুষকে প্রশিক্ষিত করা। আই.টি. ট্রেইনিং ইন্ড্রাস্টিতে বহু সাফল্য ও স্বীকৃতি অর্জন করেছেন, তিনি একজন মাইক্রোসফট সার্টিফায়েড ট্রেইনার যা আই.টি ট্রেইনিং ইন্ড্রাস্টিতে একটি অতি দূর্লভ ও পরিশ্রমসাধ্য স্বীকৃতি। দীর্ঘ ট্রেইনিং ক্যারিয়ারে তিনি ৪ হাজারেরও বেশী মানুষকে প্রশিক্ষিত করেছেন যারা সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়েছেন।

একটি নৈতিক এবং ভালোবাসাপূর্ণ পরিবেশে বেড়ে ওঠা এই মানুষটি যদিও আই.টি’র একজন ট্রেইনার, যখনই সুযোগ পান সুনীতি ও উদ্দীপনামূলক কথা দিয়ে তাঁর আশ পাশের মানুষকে মুগ্ধ ও সমৃদ্ধ করে থাকেন। তাঁর ছাত্রমহলে তাই তিনি অত্যন্ত জনপ্রিয় শিক্ষক হিসেবে জায়গা করে নিয়েছেন। তিনি আজীবন ক্রমাগতভাবে তাঁর পছন্দের বিষয়গুলো নিয়ে পড়াশোনা করে আসছেন। শেখা এবং শেখানোই হচ্ছে তার নেশা।

অনেক বিষয়ের মধ্যে তাঁর সবচেয়ে পছন্দের বিষয় হচ্ছে মানুষের মনস্তত্ব, বিশেষ করে শিশুদের। তিনি ১৯৯৮ সালে সর্বপ্রথম লিড, ইন্সটিটিউট অফ পারসোনাল পাওয়ার -এ ‘মোটিভেশনাল ট্রেইনিং প্রোগ্রাম’ এ অংশ নেন এবং পরে প্রতিষ্ঠানটির কো-ট্রেইনার হিসেবে কাজ করেন। তিনি দেশে, বিদেশে এবং অনলাইনে লাইফ-স্কিল ট্রেইনিং এর বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ নেন। ২০১৮ সালে তিনি ‘আলো’ – আলোকিত জীবনশৈলী প্রতিষ্ঠা করেন যে প্রতিষ্ঠানটি দক্ষতা প্রশিক্ষণের মাধ্যেমে জীবনঘনিষ্ট বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ এর সমাধানের পথ দেখাবে বলে প্রতিশ্রুত।

‘আলো’র প্রকল্পগুলির মধ্যে আছে – সঠিক নিয়মে সন্তান প্রতিপালন, লেখাপড়ার বিজ্ঞানসম্মত কৌশল, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণ ও সময় ব্যবস্থাপনা, মানসিক চাপ ব্যবস্থাপনা, স্মৃতিশক্তি ব্যবস্থাপনা সহ আরো বিভিন্ন কর্মশালা। তিনি ছবি আঁকতে, ঘুরে বেড়াতে, নতুন মানুষের সাথে পরিচিত হতে ভালোবাসেন। ব্যক্তিগত জীবনের তিনি তিন সন্তানের পিতা।

Copyright 2020 ‘Alo – Enlightening Lifestyle’ All rights Reserved
X