অনুপ্রেরণামূলক দক্ষতা প্রশিক্ষণ কর্মশালা (Motivational Skill Training Workshop) এর মাধ্যমে মানুষের জীবনশৈলীতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনাই হচ্ছে ‘আলো’-র লক্ষ্য। প্রচণ্ড প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে আজ সাফল্যের পিছনে উর্ধশ্বাস ছুটতে ছুটতে জীবনের সার্থকতা ও প্রকৃত শান্তি হারিয়ে ফেলার উপক্রম হয়েছে। জীবন চলার পথের বাঁকে বাঁকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে শুধুমাত্র সঠিক ও বিজ্ঞানসম্মত নিয়মটির অজ্ঞতা বা সেটি না মানার কারণে আজ অসফলতায় পর্যবসিত হচ্ছে আমাদের মহামূল্যবান জীবন ও আমরা নিরানন্দে শেষ করে চলি আমাদের জীবনীশক্তি। এই অন্ধকার থেকে আলোকিত অর্থবহ সুখী জীবনের হাতছানি দিচ্ছে ‘আলো’-র আলোকিত জীবনশৈলী প্রশিক্ষণ কর্মশালা। চলুন, এক আলোকিত জীবনের দিকে

আমাদের সেবা সমূহ


দক্ষ ইন্সট্রাকটর

আলো লাইফ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দেশের সুদক্ষ ইন্সট্রাকটরদের সাথে কানেক্টেড হতে পারবেন

অনলাইন কোর্স

পছন্দের অনলাইন সাবস্ক্রাইব করে আপনার সময় ও সুযোগ অনুযায়ী দক্ষতা অর্জন করুন

সার্টিফিকেশন

সফলতার সাথে কোর্স কমপ্লিট করে আলো লাইফ এর সার্টিফাইড লার্নার হিসাবে এনলিস্টিড হবার সুযোগ

ক্যারিয়ার

স্কিল কাজে লাগিয়ে দক্ষতার সাথে উপার্জন করুন + আমাদের এফিলিয়েট প্রোগ্রাম এর মাধ্যমে কোর্স শেয়ার করে আয় করুন

মারকেটিং করুন ক্যারিয়ার গড়ুন


ফ্রি কোর্স করে নিজেকে  আপডেট রাখুন


প্রশিক্ষণ নিয়ে বদলে গিয়েছে
হাজার ও জিবন,দিন বদল এর পালা এবার শুরু হোক আপনার ও

আলোকিত আলোচনা


‘আলো’র অভিযাত্রী

মিরাজুল হক

প্রতিষ্ঠাতা, লাইফ স্কিল ট্রেইনার

চট্টগ্রামের সন্তান, ইনফরমেশন টেকনোলজীর ট্রেইনার হিসেবে ভীষণ জনপ্রিয় মিরাজুল হক ২০০১ সালে তাঁর পেশাগত জীবন শুরু করেন বিশ্বব্যপী প্রতিষ্ঠিত আই.টি ট্রেনিং প্রতিষ্ঠান নিউ হরাইজন্স-এ। পরবর্তীতে আই.ডি.বি এর আই.টি স্কলারশীপ প্রজেক্ট এর সাথে এখনও কাজ করে যাচ্ছেন।

সারাজীবনই তাঁর আনন্দের কাজ এবং কাজের আনন্দ ছিল মানুষকে প্রশিক্ষিত করা। আই.টি. ট্রেইনিং ইন্ড্রাস্টিতে বহু সাফল্য ও স্বীকৃতি অর্জন করেছেন, তিনি একজন মাইক্রোসফট সার্টিফায়েড ট্রেইনার যা আই.টি ট্রেইনিং ইন্ড্রাস্টিতে একটি অতি দূর্লভ ও পরিশ্রমসাধ্য স্বীকৃতি। দীর্ঘ ট্রেইনিং ক্যারিয়ারে তিনি ৪ হাজারেরও বেশী মানুষকে প্রশিক্ষিত করেছেন যারা সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়েছেন।

একটি নৈতিক এবং ভালোবাসাপূর্ণ পরিবেশে বেড়ে ওঠা এই মানুষটি যদিও আই.টি’র একজন ট্রেইনার, যখনই সুযোগ পান সুনীতি ও উদ্দীপনামূলক কথা দিয়ে তাঁর আশ পাশের মানুষকে মুগ্ধ ও সমৃদ্ধ করে থাকেন। তাঁর ছাত্রমহলে তাই তিনি অত্যন্ত জনপ্রিয় শিক্ষক হিসেবে জায়গা করে নিয়েছেন।
তিনি আজীবন ক্রমাগতভাবে তাঁর পছন্দের বিষয়গুলো নিয়ে পড়াশোনা করে আসছেন। শেখা এবং শেখানোই হচ্ছে তার নেশা।

অনেক বিষয়ের মধ্যে তাঁর সবচেয়ে পছন্দের বিষয় হচ্ছে মানুষের মনস্তত্ব, বিশেষ করে শিশুদের। তিনি ১৯৯৮ সালে সর্বপ্রথম লিড, ইন্সটিটিউট অফ পারসোনাল পাওয়ার -এ ‘মোটিভেশনাল ট্রেইনিং প্রোগ্রাম’-এ অংশ নেন এবং পরে প্রতিষ্ঠানটির কো-ট্রেইনার হিসেবে কাজ করেন। এছাড়াও তিনি ভারতের আহমেদাবাদে এডভান্সড ‘ট্রেইন দ্য ট্রেইনার’ কৃতিত্বের সাথে সম্পন্ন করেন। তিনি দেশে, বিদেশে এবং অনলাইনে লাইফ-স্কিল ট্রেইনিং এর বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ নেন।

২০১৮ সালে তিনি ‘আলো’ – আলোকিত জীবনশৈলী প্রতিষ্ঠা করেন যে প্রতিষ্ঠানটি দক্ষতা প্রশিক্ষণের মাধ্যেমে জীবনঘনিষ্ট বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ এর সমাধানের পথ দেখাবে বলে প্রতিশ্রুত।

‘আলো’র প্রকল্পগুলির মধ্যে আছে – সঠিক নিয়মে সন্তান প্রতিপালন, লেখাপড়ার বিজ্ঞানসম্মত কৌশল, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণ ও সময় ব্যবস্থাপনা, মানসিক চাপ ব্যবস্থাপনা, স্মৃতিশক্তি ব্যবস্থাপনা সহ আরো বিভিন্ন কর্মশালা। তিনি ছবি আঁকতে, ঘুরে বেড়াতে, নতুন মানুষের সাথে পরিচিত হতে ভালোবাসেন। ব্যক্তিগত জীবনের তিনি তিন সন্তানের পিতা।

রুবিনা আক্তার

কাস্টমার হ্যাপিনেস ম্যানেজার

চট্রগ্রাম শহরে বেড়ে ওঠা রুবিনা আকতার চট্রগ্রাম কলেজ থেকে রসায়নে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন । পরবর্তীতে তিনি আই.ডি.বি-তে নেটওয়ার্কিং টেকনলজিতে এক বছর মেয়াদি বৃত্তি লাভ করেন। পেশাগত জীবন শুরু করেন একজন নেটওয়ার্ক সাপোর্ট ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে।এখনও একজন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ শিক্ষানবিশ হিসাবে সংযুক্ত রয়েছেন।

‘আলো’র একজন নিবেদিতপ্রাণ স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির জন্মলগ্ন থেকে যুক্ত হয়েছেন। ‘আলো’–র লেখাপড়ার বিজ্ঞানসম্মত কৌশল, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণ ও সময় ব্যবস্থাপনা, মানসিক চাপ ব্যবস্থাপনা, স্মৃতিশক্তি ব্যবস্থাপনা সহ আরো বিভিন্ন কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেছেন। বর্তমানে ‘আলো’র এ অভিযাত্রী ‘কাস্টমার হ্যাপিনেস ম্যানেজার’ পদটি অলংকৃত করে রেখেছেন।

তিনি নতুন নতুন জিনিস শিখতে,গান শুনতে, বই পড়তে, রান্না করতে ও কুশি আর্ট করতে ভালবাসেন। আজীবন শিখেে যাওয়া তাঁর জীবনের চাওয়া। বাবা একজন আইনজীবী এবং মা গৃহিনি।
পাঁচ ভাই বোনের মধ্যে তিনি সর্বকনিষ্ঠ।

জুমানা বিনতে ইসলাম

শিক্ষানবীশ ট্রেইনার

চট্রগ্রাম শহরে বেড়ে ওঠা রুবিনা আকতার চট্রগ্রাম কলেজ থেকে রসায়নে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন । পরবর্তীতে তিনি আই.ডি.বি-তে নেটওয়ার্কিং টেকনলজিতে এক বছর মেয়াদি বৃত্তি লাভ করেন। পেশাগত জীবন শুরু করেন একজন নেটওয়ার্ক সাপোর্ট ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে।এখনও একজন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ শিক্ষানবিশ হিসাবে সংযুক্ত রয়েছেন।

‘আলো’র একজন নিবেদিতপ্রাণ স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির জন্মলগ্ন থেকে যুক্ত হয়েছেন। ‘আলো’–র লেখাপড়ার বিজ্ঞানসম্মত কৌশল, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণ ও সময় ব্যবস্থাপনা, মানসিক চাপ ব্যবস্থাপনা, স্মৃতিশক্তি ব্যবস্থাপনা সহ আরো বিভিন্ন কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেছেন। বর্তমানে ‘আলো’র এ অভিযাত্রী ‘কাস্টমার হ্যাপিনেস ম্যানেজার’ পদটি অলংকৃত করে রেখেছেন।

তিনি নতুন নতুন জিনিস শিখতে,গান শুনতে, বই পড়তে, রান্না করতে ও কুশি আর্ট করতে ভালবাসেন। আজীবন শিখেে যাওয়া তাঁর জীবনের চাওয়া। বাবা একজন আইনজীবী এবং মা গৃহিনি।
পাঁচ ভাই বোনের মধ্যে তিনি সর্বকনিষ্ঠ।

‘আলো’ড়িত প্রশিক্ষণার্থী

 

মাহ-এ-নূর কুদসী ইসলাম

সহকারী অধ্যাপক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

ডা. মুনিরা খাতুন

সহযোগী অধ্যাপক, মা ও শিশু হাসপাতাল, চট্টগ্রাম

ধূসর মরুর উষর বুকে শহর গড়ার চেয়ে একটি আদম সন্তানকে ‘মানুষ’ করা কঠিন – বলেছিলেন কবি নজরুল। আমি মনে করি ‘আলো’র ওয়ার্কশপগুলো মানবিক মনের সুন্দর সুন্দর মানুষ তৈরীতে প্রত্যক্ষ সাহায্য করবে আর সে মানুষগুলো মরুর বুক ফুল-ফলে সুশোভিত-সুবাসিত-আলোকিত উদ্যান তৈরী করবে। এ পৃথিবীকে আরো বসবাসযোগ্য-শ্বাসপ্রশ্বাসযোগ্য করে তুলবে।

আমাদের ও আমাদের সন্তানদের সমস্যাগুলি আমরা মোটামুটিভাবে সবাই জানি। জেনেও গতানুগতিকভাবে অন্ধের মতো সেই অন্ধকারের পথে এগিয়ে চলেছি,  নিজেরদের সন্তানদেরকেও সেই অন্ধকারের পথেই ঠেলে দিচ্ছি- জেনেও যেন আমরা জানি না- দেখেও যেন কিছু দেখি না। যেন আমাদের কারো কিছু করার শক্তি সামর্থ সাহস কিছুই নেই। এই অসহায়ত্বকে নিয়তির বিধান মনে করে তার কাছে আত্মসমর্পন করে চলেছি। ‘আলো’ সে অসহায়ত্বের অন্ধকার দুর করার কাজে নেমেছে। এরচেয়ে ভাল আর কী হতে পারে। আমরা সবাই সবসময় আছি ‘আলো’র সাথে। 

‘আলো’ আমাদের ও আমাদের সন্তানদেরকে ‘আলো’ দেখাক। জ্ঞানের আলো, দক্ষতার আলো, সফলতা ও সার্থকতার আলো। এ পৃথিবীতে আমরা যখন আর থাকবোনা তখন আমাদের সন্তানদেরকে দেখে মানুষ তাদের ও আমাদের অজান্তেই আমাদের জন্য দোয়া পাঠাবে আর তাদের ভাল কাজগুলির পুরষ্কার আমাদের আমলনামাকে সমৃদ্ধ করবে।

আমি দোয়া করি এবং বিশ্বাস করি মিরাজ স্যারের সুচিন্তা এবং এ মানবতার জন্য এ প্রচেষ্টা আল্লাহ তা’আলা কবুল করবেন।

About WPLMS

alolife is the most popular Education online institution. With over 12000 customers and several startups successfully running their businesses on WPLMS, it is the most powerful solution for Education websites right now.

Popular Tags

Who’s Online

There are no users currently online
top
copyright © alolife. All rights reserved.